প্লিজ, আর কিছু জানতে চাইবেন না… আমি সব ফাঁস করে দেব

প্লিজ, আর কিছু জানতে চাইবেন না… আমি সব ফাঁস করে দেব

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে মুক্তির আলো দেখতে যাচ্ছে চিত্রনায়িকা পরীমণি অভিনীত সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র ‘ডোডোর গল্প’। দুই বছর আগে ছবিটির শুটিং শেষ হলেও নানা কারণে এতদিন মুক্তি পায়নি এটি। অবশেষে সব জটিলতা পেরিয়ে ছবিটি দর্শকের সামনে আসতে যাচ্ছে শিগগিরই। এ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ছবির প্রচারণা শুরুর ঘোষণা দেন পরীমণি। সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি শেয়ার করেন চলচ্চিত্রটির কাজের অভিজ্ঞতা, নিজের চরিত্র, এবং এই সিনেমার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা আবেগের গল্প।

সংবাদ সম্মেলনে পরীমণি জানান, ‘ডোডোর গল্প’ তার অভিনয়জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। এই ছবির সঙ্গে তার মানসিক সংযোগ এতটাই গভীর যে শুটিং শেষ হওয়ার পরও এর প্রতিটি মুহূর্ত, প্রতিটি সংলাপ, এমনকি সেটের আবহ তার মনে গেঁথে আছে। তিনি বলেন, “আমি এই ছবির কাজ শেষ করেছি প্রায় দুই বছর আগে। কিন্তু আজও মনে হয় যেন ডোডোর সেটেই আছি। এটা শুধু একটা সিনেমা নয়, আমার জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ সময়ের প্রতিচ্ছবি।”

ছবির চরিত্র সম্পর্কে বলতে গিয়ে পরীমণি জানান, এই ছবিতে তিনি এক নারীর দীর্ঘ জীবনের যাত্রা ফুটিয়ে তুলেছেন। “এখানে বয়সের একটা জার্নি দেখানো হয়েছে—একদম টিনেজ বয়স থেকে শুরু করে পঞ্চাশোর্ধ্ব একজন নারীর চেহারা ও মানসিক অবস্থা পর্যন্ত। আমি মনে করি, পঞ্চাশের পর একজন নারীর যেভাবে জীবনের ছাপ মুখে ও মনে পড়ে, সেই বাস্তবতা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। এই রূপটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি এক্সাইটেড করেছে। আমি নিজেও অপেক্ষা করছি পর্দায় সেই লুকটা দেখার জন্য, বিশেষ করে সিনেমার শেষ অংশে,” বলেন পরীমণি।

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ডিজিটাল প্রমোট এন্ড বুস্ট সার্ভিসের নতুন সংযোজন ৫ ডলারের ক্যাম্পেইন! Web: dpbsonline.com Fb: https://www.facebook.com/DPBS20

তবে এই কথার ফাঁকেই পরীমণি কিছুটা রহস্যময় ভঙ্গিতে সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন নির্দিষ্ট কিছু প্রশ্ন না করতে। তার কণ্ঠে ঝরে পড়ে এক ধরনের গোপন ইঙ্গিত। তিনি বলেন, “প্লিজ, আর কেউ এটা নিয়ে প্রশ্ন করবেন না… আমি না হয় অনেক কিছুই বলে ফেলব।” তার এই মন্তব্যে উপস্থিত সাংবাদিকরা মুহূর্তের জন্য নীরব হয়ে পড়েন, আর অনেকে তখনই বুঝতে পারেন—‘ডোডোর গল্প’-এ এমন কিছু আছে, যা এখনই প্রকাশ করতে চাইছেন না পরীমণি।

সংবাদ সম্মেলনের সেই মুহূর্তে পরীমণির আচরণ ও মন্তব্য যেন আরও একবার প্রমাণ করে, এই চলচ্চিত্রটি তার জন্য কতটা বিশেষ। দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করা এই ছবির মাধ্যমে দর্শকরা এক নতুন পরীমণিকে দেখতে পাবেন—যিনি শুধু গ্ল্যামার নয়, বরং গভীরতা ও অভিনয় দক্ষতার নতুন মাত্রা উপহার দিতে প্রস্তুত। ‘ডোডোর গল্প’ এখন কেবল একটি সিনেমা নয়, বরং তা হয়ে উঠেছে এক শিল্পীর ব্যক্তিগত যাত্রার প্রতীক, যেখানে রয়েছে আবেগ, রহস্য আর বাস্তব জীবনের প্রতিফলন।

CATEGORIES
TAGS
Share This